বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর: ইসরাইল এমন এক দেশ যা প্রথম দেশ হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিয়া ল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে। নেতানায়াহু সরকারের এই কৌশলগত সহযোগিতার পদক্ষেপ হর্ণ অফ আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘমেয়াদী কৌশল বলেই মনে করছে রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা।
যদিও সমাজিয়াকে স্বাধীন ও সর্বপ্রথম রাষ্ট্র হিসেবে আগে থেকেই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছিল। তবে এবার আফ্রিকায় দেশ সোমালিয়ার সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনী নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল সোমালিয়া ল্যান্ড এর সঙ্গে সামরিক এবং কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খুলল ইসরাইল। এক সপ্তাহ আগে সোমালিয়া ল্যান্ডে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অবদিরহমান মহামাদ আব্দুল্লাহি জেরুসালেম গিয়ে ইসরিলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন।
এই বৈঠকে জেরুজালেম সোমালিল্যান্ডের নতুন দূতাবাস উদ্বোধনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সহযোগিতার ঘোষণাপত্র সই হয়েছে এই মিটিংয়ে। সোমালি ল্যান্ড এর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছে যে এই চুক্তিতে দেশের নিরাপত্তা টেকনোলজি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নয়ন করার বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলি বিপাক্ষিক সহযোগিতার সমন্বয় করা হয়েছে। এই বৈঠকের পর থেকেই সোমালি ল্যান্ডের দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ওয়েবসাইটগুলি বার বার সাইবার এটাক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সাধারণত এই প্রথমবার ইসরাইল এমন একটি প্রথম দেশ যা আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালি ল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯১১ সালে সোমালিল্যান্ডের সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনী একতরফাভাবে সমালি আ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। সেই সময়। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল ও কূটনীতির চাপ সত্বেও কত তিন দশক ধরে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের পরিকাঠামো করে তুলেছে সোমালি ল্যান্ড এর পাশাপাশি এই চুক্তির ফলে দুই দেশের অর্থনীতিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন থাকবে সেই সঙ্গে প্রযুক্তিগত ও আইন রক্ষা কত ইসরাইল পদ্ধতি সেই সঙ্গে গণতন্ত্রের নিয়ম মেনেই প্রতিবছর নির্বাচন হবে সোমালি ল্যান্ডে।
